অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন অপবিত্রতা না থাকে, ফরজ গোসলের পূর্বে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি? |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৬১):
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্রের পানি দিয়ে এভাবে গোসল করতাম যে, তাতে আমাদের দু’জনের হাত একের পর এক পড়তে থাকতো।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন অপবিত্রতা না থাকে, ফরজ গোসলের পূর্বে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি? |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৬২):
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাবাতের গোসল করার সময় প্রথমে হাত ধুয়ে নিতেন।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন অপবিত্রতা না থাকে, ফরজ গোসলের পূর্বে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি? |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৬৩):
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্রের পানি নিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন অপবিত্রতা না থাকে, ফরজ গোসলের পূর্বে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি? |
বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)
হাদিস নং (২৬৪):
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর স্ত্রীদের কেউ কেউ একই পাত্রের পানি নিয়ে গোসল করতেন। মুসলিম (রহ.) এবং ওয়াহ্ব ইবনু জারীর (রহ.) শু‘বাহ (রাযি.) হতে ‘তা ফরজ গোসল ছিল’ বলে বর্ণনা করেছেন।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: গোসল ও উযূর অঙ্গ পৃথকভাবে ধোয়া। |
বর্ণনাকারী: মাইমূনাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৬৫):
মাইমূনাহ (রাযি.) বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য গোসলের পানি রাখলাম, তিনি উভয় হাতে পানি ঢেলে দু’বার করে বা তিনবার করে তা ধুয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতে ঢাললেন এবং তাঁর লজ্জাস্থান ধুয়ে নিলন। পরে তাঁর হাত মাটিতে ঘষলেন। তারপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। আর তাঁর চেহারা ও হাত দু’টো ধুলেন। তারপর তাঁর মাথা তিনবার ধুলেন এবং তাঁর সারা শরীরে পানি ঢাললেন। অবশেষে সেখান হতে একটু সরে গিয়ে তাঁর দু’পা ধুয়ে ফেললেন।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: গোসলের সময় ডান হাত থেকে বাম হাতের উপর পানি ঢালা। |
বর্ণনাকারী: মাইমূনাহ বিনতু হারিস (রাযি.)
হাদিস নং (২৬৬):
মাইমূনাহ বিনতু হারিস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্য গোসলের পানি রেখে পর্দা করে দিলাম। তিনি পানি দিয়ে দু’বার কিংবা তিনবার হাত ধুলেন। সুলায়মান (রাযি.) বলেন, তৃতীয়বারের কথা বলেছেন কিনা আমার মনে পড়ে না। তখন তিনি ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতে ঢাললেন এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নিলেন। তারপর তাঁর হাত মাটিতে বা দেওয়ালে ঘষলেন। পরে তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং তাঁর চেহারা ও দু’হাত ধুলেন এবং মাথা ধুয়ে ফেললেন। তারপর তাঁর শরীরে পানি ঢেলে দিলেন। পরে সেখান হতে সরে গিয়ে তাঁর দু’পা ধুয়ে নিলেন। অবশেষে আমি তাঁকে একখন্ড কাপড় দিলাম; কিন্তু তিনি হাতের ইঙ্গিতে নিষেধ করলেন এবং তা নিলেন না।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: একাধিকবার বা একাধিক স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হবার পর একবার গোসল করা। |
বর্ণনাকারী: মুহাম্মাদ ইবনু মুনতাশির (রহ.)
হাদিস নং (২৬৭):
মুহাম্মাদ ইবনু মুনতাশির (রহ.) তাঁর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর নিকট [‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)]-এর উক্তিটি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ আবূ ‘আবদুর রহমানকে রহম করুন। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সুগন্ধি লাগাতাম, তারপর তিনি তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হতেন। তারপর ভোরবেলায় এমন অবস্থায় ইহরাম বাঁধতেন যে, তাঁর দেহ হতে খুশবু ছড়িয়ে পড়তো।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: একাধিকবার বা একাধিক স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হবার পর একবার গোসল করা। |
বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)
হাদিস নং (২৬৮):
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীগণের নিকট দিনের বা রাতের কোন এক সময়ে পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি এত শক্তি রাখতেন? তিনি বললেন, আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেয়া হয়েছে। সা‘ঈদ (রহ.) ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, আনাস (রাযি.) তাঁদের নিকট হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে (এগারজনের স্থলে) নয়জন স্ত্রীর কথা বলেছেন।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: মযী বের হলে তা ধুয়ে ফেলে উযূ করা। |
বর্ণনাকারী: আলী (রাযি.)
হাদিস নং (২৬৯):
আলী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার অধিক মযী বের হতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কন্যা আমার স্ত্রী হবার কারণে আমি একজনকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। তিনি প্রশ্ন করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল।
|
অধ্যায়: গোসল |
উপ-অধ্যায়: খুশবু লাগিয়ে গোসল করার পর খুশবুর আসর থেকে গেলে। |
বর্ণনাকারী: মুহাম্মাদ ইবনু মুনতাশির (রহ.)
হাদিস নং (২৭০):
মুহাম্মাদ ইবনু মুনতাশির (রহ.) তাঁর পিতা হতে বর্ণিত। আমি ‘আয়িশাহ (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলাম এবং ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর উক্তি উল্লেখ করলাম,- ‘‘আমি এমন অবস্থায় ইহরাম বাঁধা পছন্দ করি না যাতে সকালে আমার দেহ হতে সুগন্ধি ছড়িয়ে পড়ে।’’ ‘আয়িশাহ (রাযি.) বললেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সুগন্ধি লাগিয়েছি, তারপর তিনি পর্যায়ক্রমে তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন এবং তাঁর ইহরাম অবস্থায় সকাল হয়েছে।
|