অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: যে পানি দিয়ে মানুষের চুল ধোয়া হয়। |
বর্ণনাকারী: আনাস (রাযি.)
হাদিস নং (১৭১):
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা মুন্ডন করলে আবূ তলহা (রাযি.)-ই প্রথমে তাঁর চুল সংগ্রহ করেন।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: কুকুর যদি পাত্র হতে পানি পান করে। |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
হাদিস নং (১৭২):
আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর পান করে তবে তা যেন সাতবার ধুয়ে নেয়।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: কুকুর যদি পাত্র হতে পানি পান করে। |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
হাদিস নং (১৭৩):
আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (পূর্ব যুগে) জনৈক ব্যক্তি একটি কুকুরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ভিজা মাটি চাটতে দেখতে পেয়ে তার মোজা নিল এবং কুকুরটির জন্য কুয়া হতে পানি এনে দিতে লাগল যতক্ষণ না সে ওর তৃষ্ণা মিটাল। আল্লাহ্ এর বিনিময় দিলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: কুকুর যদি পাত্র হতে পানি পান করে। |
বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১৭৪):
আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় কুকুর মসজিদের ভিতর দিয়ে আসা-যাওয়া করত অথচ এজন্য তাঁরা কোথাও পানি ছিটিয়ে দিতেন না।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: কুকুর যদি পাত্র হতে পানি পান করে। |
বর্ণনাকারী: আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)
হাদিস নং (১৭৫):
আদী ইবনু হাতিম (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর সম্পর্কে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তুমি যখন তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকার ধরতে ছেড়ে দাও, তখন সে হত্যা করলে তা তুমি খেতে পার। আর সে তার অংশবিশেষ খেয়ে ফেললে তুমি তা খাবে না। কারণ সে তা নিজের জন্যই শিকার করেছে। আমি বললামঃ কখনো কখনো আমি আমার কুকুর (শিকারে) পাঠিয়ে দেই, অতঃপর তার সঙ্গে অন্য এক কুকুরও দেখতে পাই (এমতাবস্থায় শিকারকৃত প্রাণীর কী হুকুম)? তিনি বললেনঃ তবে খেও না। কারণ তুমি বিসমিল্লাহ্ বলেছ কেবল তোমার কুকুরের বেলায়, অন্য কুকুরের বেলায় বিসমিল্লাহ্ বলনি।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না। |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
হাদিস নং (১৭৬):
আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দা যে সময়টা মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় থাকে, তার সে পুরো সময়টাই সালাতের মধ্যে গণ্য হয় যতক্ষণ না সে হাদাস করে। জনৈক অনারব বলল, হে আবূ হুরাইরাহ! ’হাদাস কী’? তিনি বললেন, ’শব্দ করে বায়ু বের হওয়া।’
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না। |
বর্ণনাকারী: আব্বাস ইবনু তামীম (রহ.)
হাদিস নং (১৭৭):
আব্বাস ইবনু তামীম (রহ.), তাঁর চাচার সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (কোন মুসল্লী) সালাত থেকে সরে থাকবে না যতক্ষণ না সে শব্দ শুনতে পায় কিংবা গন্ধ পায়।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না। |
বর্ণনাকারী: মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহ.)
হাদিস নং (১৭৮):
মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আলী (রাযি.) বলেছেন, আমার অধিক পরিমাণে মযী বের হতো। কিন্তু আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাযি.)-কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেনঃ এতে শুধু উযূ করতে হয়। হাদীসটি শু‘বাহ (রহ.) আ‘মাশ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না। |
বর্ণনাকারী: যায়দ ইবনু খালিদ (রাযি.)
হাদিস নং (১৭৯):
যায়দ ইবনু খালিদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ ‘কেউ যদি স্ত্রী সহবাস করে, কিন্তু মনী (বীর্য) বের না হয় (তবে তার হুকুম কী)? ‘উসমান (রাযি.) বললেনঃ ‘সে সালাতের ন্যায় উযূ করে নেবে এবং তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে। উসমান (রাযি.) বলেন, আমি এ কথা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি। (যায়দ বলেন) তারপর আমি এ সম্পর্কে ‘আলী (রাযি.), যুবায়র (রাযি.), তালহা (রাযি.) ও উবাই ইবনু কা’ব (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করেছি। তাঁরা আমাকে এ নির্দেশই দিয়েছেন।
|
অধ্যায়: উযূ |
উপ-অধ্যায়: সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না। |
বর্ণনাকারী: আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)
হাদিস নং (১৮০):
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক আনসারীর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি আসলেন। তখন তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করেছি।’ তিনি বললেন, ‘জী।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তাড়াহুড়ার কারণে মনী বের না হবে (অথবা বললেন), মনীর অভাবজনিত কারণে তা বের না হবে তখন উযূ করে নিবে। ওয়াহ্ব (রহ.) শু’বাহ (রহ.) সুত্রে এ রকমই বর্ণনা করেন। তিনি [শু‘বাহ (রহ.)] বলেন, আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) বলেছেনঃ গুনদার (রহ.) ও ইয়াহ্ইয়া (রহ.) শু‘বাহ (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনায় উযূর কথা উল্লেখ করেননি।
|